১৯ অক্টোবর ২০২৬
২৪.৮°C কলকাতা

আবহাওয়া

২৪.৮°C
সম্পূর্ণ মেঘলা
অনুভূত হচ্ছে
২৫.৪°C
আর্দ্রতা
৮০%
বাতাস
১১.৪ km/h NNE
বায়ুচাপ
১০১৩ hPa
বৃষ্টিপাত (গত ১ ঘণ্টা)
০ mm
মেঘে ঢাকা
৯৮%
দৃশ্যমানতা
১০ km
সূর্যোদয়
০৫:৩৪
সূর্যাস্ত
১৭:০৭

হালনাগাদ: ২০ Oct, ০০:৫৩ IST

🚨
বাংলার খবর, বিশ্বের নজরে
তাজা খবর
৪২১ বছরের ঐতিহ্য! লক্ষ্মীপুরের চৌধুরী বাড়িতে দশভুজা নন, চতুর্ভুজা রূপে পূজিত হন মা দুর্গা কলকাতার থিম পুজোকে টেক্কা! হাড়োয়ার রবীন সংঘ পাঠাগারে ‘দাও ফিরে সে অরণ্য’, মণ্ডপজুড়ে পাখির বাসা ও সবুজের সমারোহ কোথাও অভিনব থিম, কোথাও নজরকাড়া আলোকসজ্জা! ইছামতির বুকে রাজবাড়ির অন্দরমহল, দুর্গোৎসবে সম্প্রীতির রঙে মাতল বসিরহাট সাতসকালে গৌরীপুরের কাছে ডিজেল বোঝাই ট্যাঙ্কার উল্টে বিপত্তি, রাস্তায় জ্বালানি ছড়িয়ে তীব্র যানজট চিংড়িঘাটার দুর্ঘটনার পর আসানসোলেও রাস্তার রং তোলার কাজ শুরু, নিরাপত্তায় জোর পুর দফতরের
পশ্চিমবঙ্গ

মালদার ভূতনীতে ভাঙল পুরনো গঙ্গা বাঁধ, হু হু করে ঢুকছে জল! ফের বন্যার আশঙ্কায় আতঙ্কে দু’লক্ষ মানুষ

লিখেছেন Editor - Bengal News Net ২০৭ বার পঠিত ২ মিনিটের পড়া
মালদার ভূতনীতে ভাঙল পুরনো গঙ্গা বাঁধ, হু হু করে ঢুকছে জল! ফের বন্যার আশঙ্কায় আতঙ্কে দু’লক্ষ মানুষ

**মালদা:** অবশেষে ভেঙে গেল মালদার মানিকচকের ভূতনীর পুরনো গঙ্গা বাঁধ। বৃহস্পতিবার ভোররাতে ভূতনীর কেশরপুর কালুটনটোলা এলাকার কাছে প্রায় ২০ মিটার অংশ জুড়ে বাঁধ ভেঙে যায় বলে স্থানীয় সূত্রে খবর। বাঁধের ভাঙা অংশ দিয়ে গঙ্গার জল হু হু করে ঢুকতে শুরু করেছে নদী সংলগ্ন ভূতনীর অসংরক্ষিত এলাকায়। ফলে গত দু’বছরের মতো এবারও ভূতনীতে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।


বাঁধ ভাঙার ঘটনায় ইতিমধ্যেই চরম আতঙ্ক ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা, দ্রুত জল আটকানো না গেলে গঙ্গার জল আরও বিস্তীর্ণ এলাকায় ছড়িয়ে পড়তে পারে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে ঘরবাড়ি, কৃষিজমি এবং স্থানীয় যোগাযোগ ব্যবস্থার উপরও ব্যাপক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।


উল্লেখ্য, চলতি বছর ভূতনীকে বন্যার হাত থেকে রক্ষা করার বিষয়ে একাধিকবার আশ্বাস দিয়েছিলেন মানিকচকের বিজেপি বিধায়ক গৌড়চন্দ্র মণ্ডল। যেকোনও পরিস্থিতিতে বাঁধ ভাঙতে দেওয়া হবে না এবং ভূতনীকে রক্ষা করা হবে বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের আশ্বস্ত করেছিলেন তিনি। কিন্তু সেই আশ্বাসের মধ্যেই ফের পুরনো বাঁধে বড়সড় ভাঙন দেখা দিল।


তবে বাঁধ ভাঙার স্থান থেকে কিছুটা দূরেই রাজ্য সরকারের উদ্যোগে নতুন করে একটি রিং বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে। বর্তমানে গঙ্গার জল যেভাবে দ্রুত ভূতনীর অসংরক্ষিত এলাকায় ঢুকছে, তাতে ওই রিং বাঁধ জলরাশি আটকাতে পারবে কি না, তা নিয়েও তৈরি হয়েছে উদ্বেগ।


পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্য ও কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন মানিকচকের সিপিআইএম নেতা দেবজ্যোতি সিনহা। তাঁর অভিযোগ, সেচ দফতর এবং জেলা প্রশাসনের উদাসীনতার কারণেই গত দু’বছরের মতো এবারও ভূতনীতে বন্যার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সময়মতো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হলে এই পরিস্থিতি এড়ানো যেত বলেও দাবি তাঁর।


বাঁধ ভেঙে জল ঢোকার ঘটনায় ভূতনীর বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ এখন চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত যুদ্ধকালীন তৎপরতায় বাঁধ মেরামত এবং জল আটকানোর ব্যবস্থা করা হোক। প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ না করলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার নিতে পারে বলে আশঙ্কা এলাকাবাসীর।

সম্পর্কিত খবর

বিজ্ঞাপন দিন • Contact ads@bengalnewsnet.com