২৯ জুলাই ২০২৬
বাংলার খবর, বিশ্বের নজরে
তাজা খবর
নীল ব্রালেট লুকে ভাইরাল ত্রিধা চৌধুরী, মুগ্ধ অনুরাগীরা হাওড়ায় চলন্ত বাসে তাণ্ডব, যাত্রীদের প্রতিরোধে ধরা দুষ্কৃতী রাজ্য পুলিশে ১ লক্ষ নিয়োগের ঘোষণা, রেশন ভাতা বৃদ্ধি, ভবানী ভবন থেকে একগুচ্ছ বড় সিদ্ধান্ত বৃষ্টিতে ভেস্তে যাচ্ছে সমুদ্র-ছুটি, হোটেলবন্দি দিঘার পর্যটকেরা, কবে কাটবে অপেক্ষা? মেদিনীপুরে বুলডোজার অভিযান, ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা তৃণমূল পার্টি অফিস ভাঙল প্রশাসন
ধর্ম ও সংস্কৃতি

পুরী ও মাহেশের পর মহিষাদল—উল্টো রথে ঘরে ফিরলেন জগন্নাথদেব ও গোপালজিউ

লিখেছেন Editor - Bengal News Net ২৪ বার পঠিত ২ মিনিটের পড়া
পুরী ও মাহেশের পর মহিষাদল—উল্টো রথে ঘরে ফিরলেন জগন্নাথদেব ও গোপালজিউ

**নিজস্ব প্রতিনিধি, মহিষাদল:**

পুরীর জগন্নাথ রথযাত্রা এবং হুগলির মাহেশের রথের পরেই বাংলার অন্যতম ঐতিহ্যবাহী রথ হিসেবে পরিচিত পূর্ব মেদিনীপুরের মহিষাদলের রথ। প্রায় আড়াইশো বছরের ঐতিহ্য বহন করে চলা এই রথযাত্রা ঘিরে প্রতি বছরই ভক্তদের ঢল নামে।


ইতিহাস বলছে, ১৭৭৬ সালে মহিষাদলের রানি জানকি দেবীর উদ্যোগে নির্মিত হয় এই বিশাল কাঠের রথ। ১৩টি চূড়াবিশিষ্ট এই রথের উচ্চতা প্রায় ৭০ ফুট, যা ভারতের অন্যতম উচ্চতম কাঠের রথ হিসেবে পরিচিত। এই রথে অধিষ্ঠান করেন শ্রীজগন্নাথদেব এবং শ্রীমদন গোপালজিউ।


আজ ছিল উল্টো রথের দিন। কয়েকদিনের মাসির বাড়ি সফর শেষে নিজ মন্দিরে ফিরে গেলেন প্রভু জগন্নাথদেব ও মদন গোপালজিউ। সকাল থেকেই ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান, বিশেষ পূজা এবং মানভঞ্জন পর্ব সম্পন্ন হওয়ার পর দেবতাদের রথে আরোহন করানো হয়।


প্রথা অনুযায়ী, প্রথমে মহিষাদল রাজপরিবারের বর্তমান সদস্যরা রথের দড়িতে টান দেন। এরপর হাজার হাজার ভক্ত একসঙ্গে রথ টেনে নিয়ে যান নির্ধারিত পথে। ভক্তদের "জয় জগন্নাথ" ও হরিনামে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা মহিষাদল। রথের দুই পাশে ছিল কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং প্রশাসনের বিশেষ নজরদারি।


প্রতিবছরের মতো এবারও রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অসংখ্য দর্শনার্থী ও ভক্ত মহিষাদলে উপস্থিত হন এই ঐতিহাসিক উল্টো রথযাত্রার সাক্ষী থাকতে। ধর্মীয় আবেগ, ঐতিহ্য এবং ভক্তির মিলনে মহিষাদলের উল্টো রথ উৎসব হয়ে উঠেছে পূর্ব মেদিনীপুরের অন্যতম আকর্ষণ।

সম্পর্কিত খবর