উপনির্বাচনের আগে নন্দীগ্রামে দুই কংগ্রেস নেতাকে আটক, মানিক ফকিরকে নিয়ে যাওয়া হল লালবাজারে
**নন্দীগ্রাম:** নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনের প্রচারে যাওয়ার আগেই দুই কংগ্রেস নেতাকে পুলিশ আটক করেছে বলে অভিযোগ উঠল। কংগ্রেসের দাবি, লেখক ও সমাজকর্মী মানিক ফকির এবং মতুয়া সম্প্রদায়ের নেতা তথা কংগ্রেস নেতা সুকৃতি রঞ্জন বিশ্বাসকে পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুরের একটি গেস্ট হাউস থেকে আটক করে নন্দীগ্রাম থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
জানা গিয়েছে, নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের হয়ে প্রচারে যাওয়ার কথা ছিল তাঁদের। সকালে গেস্ট হাউস থেকে বেরনোর সময় পুলিশ তাঁদের আটক করে বলে কংগ্রেসের অভিযোগ। প্রথমে দু’জনকেই নন্দীগ্রাম থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
পরবর্তীতে সুকৃতি রঞ্জন বিশ্বাসকে ছেড়ে দেওয়া হলেও মানিক ফকিরকে লালবাজারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তাঁকে ২০০৭ সালের কোনও পুরনো মামলার সূত্রে আটক করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে দাবি করা হচ্ছে। তবে কোন নির্দিষ্ট মামলায় তাঁকে আটক করা হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশের তরফে এখনও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে পুলিশের এই পদক্ষেপের প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। মানিক ফকিরের দাবি, নন্দীগ্রামে কংগ্রেসের প্রচারে বাধা দেওয়ার উদ্দেশ্যেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের আগে ২০০৭ সালের পুরনো মামলায় কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের গ্রেফতারি ঘিরেও ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও আইনি বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের নথিতে ২০০৭ সালের একাধিক মামলার উল্লেখ রয়েছে।
তবে মানিক ফকির ও সুকৃতি রঞ্জন বিশ্বাসকে আটক করার নির্দিষ্ট কারণ এবং লালবাজারে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনও পাওয়া যায়নি। ফলে তদন্তকারী সংস্থার বক্তব্য সামনে না আসা পর্যন্ত আটকের কারণ নিয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।