১৯ অক্টোবর ২০২৬
২৬°C কলকাতা

আবহাওয়া

২৬°C
বিক্ষিপ্ত মেঘ
অনুভূত হচ্ছে
২৬°C
আর্দ্রতা
৬৬%
বাতাস
১০.৪ km/h N
বায়ুচাপ
১০১৩ hPa
বৃষ্টিপাত (গত ১ ঘণ্টা)
০ mm
মেঘে ঢাকা
৪৭%
দৃশ্যমানতা
১০ km
সূর্যোদয়
০৫:৩৪
সূর্যাস্ত
১৭:০৮

হালনাগাদ: ১৯ Oct, ২৩:৫৩ IST

🚨
বাংলার খবর, বিশ্বের নজরে
তাজা খবর
৪২১ বছরের ঐতিহ্য! লক্ষ্মীপুরের চৌধুরী বাড়িতে দশভুজা নন, চতুর্ভুজা রূপে পূজিত হন মা দুর্গা কলকাতার থিম পুজোকে টেক্কা! হাড়োয়ার রবীন সংঘ পাঠাগারে ‘দাও ফিরে সে অরণ্য’, মণ্ডপজুড়ে পাখির বাসা ও সবুজের সমারোহ কোথাও অভিনব থিম, কোথাও নজরকাড়া আলোকসজ্জা! ইছামতির বুকে রাজবাড়ির অন্দরমহল, দুর্গোৎসবে সম্প্রীতির রঙে মাতল বসিরহাট সাতসকালে গৌরীপুরের কাছে ডিজেল বোঝাই ট্যাঙ্কার উল্টে বিপত্তি, রাস্তায় জ্বালানি ছড়িয়ে তীব্র যানজট চিংড়িঘাটার দুর্ঘটনার পর আসানসোলেও রাস্তার রং তোলার কাজ শুরু, নিরাপত্তায় জোর পুর দফতরের
পশ্চিমবঙ্গ

গঙ্গার ভাঙনে বিপর্যস্ত মালদার মহানন্দাটোলা, আতঙ্কে নিজেরাই ভাঙছেন বসতবাড়ি

লিখেছেন Editor - Bengal News Net ১৩২ বার পঠিত ২ মিনিটের পড়া
গঙ্গার ভাঙনে বিপর্যস্ত মালদার মহানন্দাটোলা, আতঙ্কে নিজেরাই ভাঙছেন বসতবাড়ি

**মালদা:** জলস্তর বৃদ্ধি পেতেই ভয়ঙ্কর রূপ নিয়েছে গঙ্গা। সকাল থেকেই মালদার রতুয়া ব্লকের মহানন্দাটোলার জিতুটোলা ও মুনিরামটোলা এলাকায় শুরু হয়েছে ব্যাপক ভাঙন। একের পর এক বসতবাড়ি তলিয়ে যাচ্ছে গঙ্গার গর্ভে। ভাঙনের তীব্রতা এতটাই বেড়েছে যে, আতঙ্কে নিজেদের বসতবাড়ি নিজেরাই ভেঙে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন বহু পরিবার।


স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রতি বছরই বর্ষার সময়ে গঙ্গার ভাঙনে বিপর্যস্ত হতে হয় তাঁদের। চোখের সামনে নদীগর্ভে চলে যায় ঘরবাড়ি, জমি ও বসতভিটে। এবছরও জলস্তর বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নতুন করে শুরু হয়েছে ভাঙন। ফলে রাতারাতি মাথার উপর থেকে ছাদ হারানোর আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন এলাকার মানুষ।


বাসিন্দাদের আরও অভিযোগ, ভাঙন শুরু হলেই রাজনৈতিক নেতৃত্ব থেকে প্রশাসনের আধিকারিকরা এলাকায় এসে পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন। কিন্তু পরিদর্শনের পরেও স্থায়ীভাবে ভাঙন রোধে কার্যকর কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। বছরের পর বছর একই সমস্যার পুনরাবৃত্তি হলেও সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয়নি বলে অভিযোগ তাঁদের।


বর্তমানে গঙ্গার ভয়াল গ্রাস থেকে বাঁচতে অনেক পরিবার নিজেদের ঘরবাড়ি ভেঙে প্রয়োজনীয় সামগ্রী অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছেন। ফলে গোটা এলাকায় তৈরি হয়েছে আতঙ্কের পরিবেশ।


স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হোক। প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ না করলে আগামী দিনে আরও বহু বাড়ি ও বসতভিটে গঙ্গার গর্ভে চলে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন তাঁরা।

সম্পর্কিত খবর

বিজ্ঞাপন দিন • Contact ads@bengalnewsnet.com