১৯ অক্টোবর ২০২৬
২৪.৮°C কলকাতা

আবহাওয়া

২৪.৮°C
সম্পূর্ণ মেঘলা
অনুভূত হচ্ছে
২৫.৪°C
আর্দ্রতা
৮০%
বাতাস
১১.৪ km/h NNE
বায়ুচাপ
১০১৩ hPa
বৃষ্টিপাত (গত ১ ঘণ্টা)
০ mm
মেঘে ঢাকা
৯৮%
দৃশ্যমানতা
১০ km
সূর্যোদয়
০৫:৩৪
সূর্যাস্ত
১৭:০৭

হালনাগাদ: ২০ Oct, ০০:৫৩ IST

🚨
বাংলার খবর, বিশ্বের নজরে
তাজা খবর
৪২১ বছরের ঐতিহ্য! লক্ষ্মীপুরের চৌধুরী বাড়িতে দশভুজা নন, চতুর্ভুজা রূপে পূজিত হন মা দুর্গা কলকাতার থিম পুজোকে টেক্কা! হাড়োয়ার রবীন সংঘ পাঠাগারে ‘দাও ফিরে সে অরণ্য’, মণ্ডপজুড়ে পাখির বাসা ও সবুজের সমারোহ কোথাও অভিনব থিম, কোথাও নজরকাড়া আলোকসজ্জা! ইছামতির বুকে রাজবাড়ির অন্দরমহল, দুর্গোৎসবে সম্প্রীতির রঙে মাতল বসিরহাট সাতসকালে গৌরীপুরের কাছে ডিজেল বোঝাই ট্যাঙ্কার উল্টে বিপত্তি, রাস্তায় জ্বালানি ছড়িয়ে তীব্র যানজট চিংড়িঘাটার দুর্ঘটনার পর আসানসোলেও রাস্তার রং তোলার কাজ শুরু, নিরাপত্তায় জোর পুর দফতরের
পশ্চিমবঙ্গ

১০৫ বছর বয়সে মুক্তি রসিক চন্দ্রের, দীর্ঘ ৪ দশকের জেলজীবনের অবসান

লিখেছেন Editor - Bengal News Net ৮০ বার পঠিত ২ মিনিটের পড়া
১০৫ বছর বয়সে মুক্তি রসিক চন্দ্রের, দীর্ঘ ৪ দশকের জেলজীবনের অবসান

**মালদা:** দীর্ঘ জেলবন্দিজীবনের অবসান। ১০৫ বছর বয়সে পূর্ণাঙ্গ মুক্তি পেলেন মালদার মানিকচকের বাসিন্দা রসিক চন্দ্র মণ্ডল। বয়স ও শারীরিক অসুস্থতার কথা বিবেচনা করে তাঁর যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বাকি সময় মুকুব করার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের এই সিদ্ধান্তে খুশির হাওয়া রসিক চন্দ্রের পরিবারে।


রসিক চন্দ্র মণ্ডল মালদার মানিকচকের পশ্চিম নারায়ণপুর গ্রামের বাসিন্দা। ১৯৮৮ সালে সম্পত্তি সংক্রান্ত বিবাদের জেরে নিজের ভাই সুরেশ মণ্ডলকে খুনের অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। সেই মামলায় ১৯৯৪ সালে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। সেই সময় তাঁর বয়স ছিল ৭৪ বছর।


দীর্ঘদিন জেলে থাকার পর ২০১৮ সালে মুক্তির আবেদন নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন রসিক চন্দ্র। তবে সেখানে তাঁর আবেদন সফল হয়নি। এরপর তিনি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। শীর্ষ আদালতও তাঁর সাজা বাতিল করেনি। তবে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাঁর শারীরিক অবস্থার ক্রমশ অবনতি হতে থাকে।


২০২০ সালে ৯৯ বছর বয়সে আগাম মুক্তির আবেদন করেন রসিক চন্দ্র। আবেদনে তাঁর বার্ধক্য এবং বয়সজনিত বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার কথা উল্লেখ করা হয়। ২০২১ সালের মে মাসে সেই আবেদনের ভিত্তিতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছে বিষয়টি জানতে চায় সুপ্রিম কোর্ট।


এরপর দীর্ঘদিন ধরে মামলা চলতে থাকে। অবশেষে ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে শীর্ষ আদালত তাঁকে অন্তর্বর্তী জামিন বা প্যারোলে মুক্তির নির্দেশ দেয়। সেই সময় থেকেই জেলের বাইরে ছিলেন তিনি।


গত শুক্রবার তিন বিচারপতির বেঞ্চ মামলাটির চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করে। রসিক চন্দ্রের বর্তমান বয়স এবং শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে আদালত জানায়, যাবজ্জীবন সাজার বাকি সময় তাঁকে আর কারাগারে কাটাতে হবে না। অর্থাৎ, কার্যত সম্পূর্ণ মুক্তি পেলেন তিনি।


প্রায় চার দশক ধরে চলা এই মামলার শেষ পর্বে এসে পরিবারের কাছে ফিরলেন শতায়ু রসিক চন্দ্র। বর্তমানে তাঁর স্মৃতিশক্তি অনেকটাই ক্ষীণ। ঠিকমতো কথাও বলতে পারেন না তিনি। জীবনের শেষ সময়টুকু এবার পরিবারের সঙ্গে নিজের মতো করে কাটানোর সুযোগ পেলেন ১০৫ বছরের এই প্রবীণ।

সম্পর্কিত খবর

বিজ্ঞাপন দিন • Contact ads@bengalnewsnet.com