৩০ জুলাই ২০২৬
বাংলার খবর, বিশ্বের নজরে
তাজা খবর
দুর্গাপুজোর আগে মৃৎশিল্পীদের স্বস্তি, মাটি সমস্যার সমাধানে উদ্যোগী আমতার বিধায়ক অমিত সামন্ত জি বাংলার মহালয়ায় দুর্গারূপে অঙ্কিতা মল্লিক? সঙ্গে থাকছেন ইধিকা পাল, শুরু জোর চর্চা নীল ব্রালেট লুকে ভাইরাল ত্রিধা চৌধুরী, মুগ্ধ অনুরাগীরা হাওড়ায় চলন্ত বাসে তাণ্ডব, যাত্রীদের প্রতিরোধে ধরা দুষ্কৃতী রাজ্য পুলিশে ১ লক্ষ নিয়োগের ঘোষণা, রেশন ভাতা বৃদ্ধি, ভবানী ভবন থেকে একগুচ্ছ বড় সিদ্ধান্ত
পশ্চিমবঙ্গ

দুর্গাপুজোর আগে মৃৎশিল্পীদের স্বস্তি, মাটি সমস্যার সমাধানে উদ্যোগী আমতার বিধায়ক অমিত সামন্ত

লিখেছেন Editor - Bengal News Net ৩ বার পঠিত ২ মিনিটের পড়া
দুর্গাপুজোর আগে মৃৎশিল্পীদের স্বস্তি, মাটি সমস্যার সমাধানে উদ্যোগী আমতার বিধায়ক অমিত সামন্ত

**আমতা, হাওড়া:** বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ, আর সেই উৎসবের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ মাটির প্রতিমা। দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে রাজ্যের বিভিন্ন কুমোরপাড়ায় এখন প্রতিমা তৈরির প্রস্তুতি শুরু হয়েছে পুরোদমে। যদিও আধুনিক সময়ে প্লাস্টিক ও অন্যান্য বিকল্প সামগ্রীর ব্যবহার বেড়েছে, তবুও মাটির প্রতিমার চাহিদা আজও অটুট। তবে প্রতিমা তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় উপযুক্ত মাটি সংগ্রহ করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে মৃৎশিল্পীদের কাছে।


জানা গিয়েছে, গত প্রায় পনেরো বছর ধরে বিভিন্ন এলাকায় মাটি বিক্রিকে কেন্দ্র করে সক্রিয় হয়ে উঠেছে একটি অসাধু চক্র। স্থানীয়দের অভিযোগ, এই তথাকথিত ‘মাটি মাফিয়া’-দের দৌরাত্ম্যে প্রতিমা তৈরির উপযোগী এঁটেল ও বালিমাটি সংগ্রহ করতে নানাভাবে সমস্যার মুখে পড়ছেন শিল্পীরা। ব্যতিক্রম নয় হাওড়ার আমতা বিধানসভা এলাকাও।


স্বভাবতই নিরীহ মৃৎশিল্পীরা মাটি মাফিয়াদের সঙ্গে সংঘাতে যেতে চান না। ফলে উপযুক্ত মাটি সংগ্রহে তাঁদের হয়রানি ও অতিরিক্ত খরচের সম্মুখীন হতে হচ্ছে। এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের দাবিতে সম্প্রতি আমতা বিধানসভার একাধিক মৃৎশিল্পী স্থানীয় বিধায়ক অমিত সামন্তের দ্বারস্থ হন।


মৃৎশিল্পীদের অভিযোগ শোনার পর দ্রুত উদ্যোগ নেন বিধায়ক। তিনি আশ্বাস দিয়ে জানান, আপাতত প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট থানাগুলির সঙ্গে আলোচনা করে প্রতিমা শিল্পীদের জন্য একটি বিশেষ পরিচয়পত্র বা কার্ডের ব্যবস্থা করা হবে। এই কার্ড থাকলে বৈধভাবে মাটি সংগ্রহের ক্ষেত্রে পুলিশ বা অসাধু চক্রের কোনও অযথা বাধার মুখে তাঁদের পড়তে হবে না।


এ প্রসঙ্গে বিধায়ক অমিত সামন্ত বলেন, **"থানাগুলির সঙ্গে কথা বলে মৃৎশিল্পীদের জন্য একটি কার্ড করে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে। যাতে পুলিশ বা মাটি মাফিয়াদের কারণে তাঁদের কোনও সমস্যায় পড়তে না হয়।"**


বিধায়কের এই আশ্বাসে আশার আলো দেখছেন এলাকার মৃৎশিল্পীরা। তাঁদের মতে, প্রশাসনিক সহযোগিতা পেলে ভবিষ্যতে মাটি সংগ্রহের কাজ অনেক সহজ হবে। এতে সময়, শ্রম ও অতিরিক্ত খরচ—সবই কমবে। পাশাপাশি দুর্গাপুজোর আগে প্রতিমা তৈরির কাজও নির্বিঘ্নে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে।

সম্পর্কিত খবর