১৯ অক্টোবর ২০২৬
২৪.৮°C কলকাতা

আবহাওয়া

২৪.৮°C
সম্পূর্ণ মেঘলা
অনুভূত হচ্ছে
২৫.৪°C
আর্দ্রতা
৮০%
বাতাস
১১.৪ km/h NNE
বায়ুচাপ
১০১৩ hPa
বৃষ্টিপাত (গত ১ ঘণ্টা)
০ mm
মেঘে ঢাকা
৯৮%
দৃশ্যমানতা
১০ km
সূর্যোদয়
০৫:৩৪
সূর্যাস্ত
১৭:০৭

হালনাগাদ: ২০ Oct, ০০:৫৩ IST

🚨
বাংলার খবর, বিশ্বের নজরে
তাজা খবর
৪২১ বছরের ঐতিহ্য! লক্ষ্মীপুরের চৌধুরী বাড়িতে দশভুজা নন, চতুর্ভুজা রূপে পূজিত হন মা দুর্গা কলকাতার থিম পুজোকে টেক্কা! হাড়োয়ার রবীন সংঘ পাঠাগারে ‘দাও ফিরে সে অরণ্য’, মণ্ডপজুড়ে পাখির বাসা ও সবুজের সমারোহ কোথাও অভিনব থিম, কোথাও নজরকাড়া আলোকসজ্জা! ইছামতির বুকে রাজবাড়ির অন্দরমহল, দুর্গোৎসবে সম্প্রীতির রঙে মাতল বসিরহাট সাতসকালে গৌরীপুরের কাছে ডিজেল বোঝাই ট্যাঙ্কার উল্টে বিপত্তি, রাস্তায় জ্বালানি ছড়িয়ে তীব্র যানজট চিংড়িঘাটার দুর্ঘটনার পর আসানসোলেও রাস্তার রং তোলার কাজ শুরু, নিরাপত্তায় জোর পুর দফতরের
পশ্চিমবঙ্গ

মালদায় ট্যাব কেলেঙ্কারিতে গ্রেফতার প্রধান শিক্ষক ও করণিক, ৫ দিনের সিআইডি হেফাজত

লিখেছেন Editor - Bengal News Net ৮৪ বার পঠিত ২ মিনিটের পড়া
মালদায় ট্যাব কেলেঙ্কারিতে গ্রেফতার প্রধান শিক্ষক ও করণিক, ৫ দিনের সিআইডি হেফাজত

**মালদা:** ট্যাব কেলেঙ্কারি মামলায় বড়সড় পদক্ষেপ সিআইডির। মালদার হবিবপুর থানার কেন্দপুকুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দুলাল মণ্ডল এবং বিদ্যালয়ের করণিক রাজেশ চৌধুরীকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি। ধৃত দু’জনকে মালদা জেলা আদালতে পেশ করা হলে পাঁচ দিনের সিআইডি হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।


অভিযোগ, ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে রাজ্য সরকারের তরফে পড়ুয়াদের ট্যাব কেনার জন্য পাঠানো টাকা একাধিক ক্ষেত্রে পড়ুয়াদের নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্টে না গিয়ে অন্য অ্যাকাউন্টে চলে যায়। এই ঘটনায় রাজ্যজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়। মালদা জেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধেও ট্যাবের টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ ওঠে। পরে গোটা ঘটনার তদন্তভার দেওয়া হয় সিআইডিকে।


তদন্তে নেমে এর আগে মালদা-সহ উত্তর দিনাজপুরের ইটাহার থেকে কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছিল সিআইডি। এবার নতুন করে তদন্তের গতি বাড়িয়ে হবিবপুরের কেন্দপুকুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও করণিককে গ্রেফতার করা হল।


সিআইডি সূত্রে অভিযোগ, ওই বিদ্যালয়ের **৯১ জন পড়ুয়ার ট্যাবের টাকা অন্য অ্যাকাউন্টে চলে গিয়েছিল**। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। তৎকালীন জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক বাণীব্রত সাহা প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। পরবর্তীতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকও করণিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন।


মালদা জেলা আদালতের সরকারি আইনজীবী দেবজ্যোতি পাল জানান, বিদ্যালয়ের ওয়াই-ফাই ব্যবহার করে ট্যাবের টাকা অন্য অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করা হয়েছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে। তাঁর দাবি, টাকা ট্রান্সফারের সময় প্রধান শিক্ষকের ফোনে ওটিপি যেত। সেই ওটিপি তিনি কাকে দিয়েছিলেন এবং এই ঘটনায় আরও কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখতেই দুই অভিযুক্তকে হেফাজতে নিয়েছে সিআইডি।


অন্যদিকে, দক্ষিণ মালদা জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক নীলাঞ্জন দাস অভিযোগ করেন, তৎকালীন সরকারের আমলে দুর্নীতি ও লুটপাট চলেছে। তাঁর দাবি, ট্যাবের টাকা কীভাবে অন্য অ্যাকাউন্টে গেল এবং এর নেপথ্যে কারা রয়েছে, তার নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। প্রকৃত দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিরও দাবি জানিয়েছেন তিনি।


এখন সিআইডির তদন্তে উঠে আসার অপেক্ষা—৯১ জন পড়ুয়ার ট্যাবের টাকা কীভাবে অন্য অ্যাকাউন্টে পৌঁছল, ওটিপি কার মাধ্যমে ব্যবহার করা হয়েছিল এবং এই ঘটনায় আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না।

সম্পর্কিত খবর

বিজ্ঞাপন দিন • Contact ads@bengalnewsnet.com