ফাঁসিদেওয়ায় ১৪ চাকার ট্রাক থেকে উদ্ধার ২২টি মহিষের বাছুর, গ্রেফতার চালক
**ফাঁসিদেওয়া, ২৮ আগস্ট:** নাকা চেকিংয়ের সময় একটি ১৪ চাকার ট্রাক আটক করে উদ্ধার করা হল ২২টি মহিষের বাছুর। বৈধ নথিপত্র ছাড়াই ওই পশুগুলিকে পরিবহণের অভিযোগে ট্রাকটি বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে ট্রাকচালককে। শুক্রবার ফাঁসিদেওয়া থানার অন্তর্গত বিজলিমণি এলাকায় এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়ায়।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার বেলা প্রায় ১১টা ৫৫ মিনিট নাগাদ বিধাননগর আইসি-র এসআই রাকেশ ব্রহ্ম সঙ্গীয় পুলিশ বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে ভিম্বার এলাকায় নাকা চেকিং চালাচ্ছিলেন। সেই সময় বিজলিমণি এলাকায় ইন্ডিয়ান অয়েল পেট্রোল পাম্পের কাছে সন্দেহজনক একটি ১৪ চাকার ট্রাককে আটক করা হয়। ট্রাকটির নম্বর **AS-25FC-2075**।
পুলিশের দাবি, ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে বিভিন্ন বয়স ও আকারের মোট ২২টি মহিষের বাছুরের সন্ধান মেলে। এরপর পশুগুলির পরিবহণ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নথিপত্র দেখতে চান তদন্তকারী আধিকারিকরা।
অভিযোগ, ট্রাকচালক পশুগুলির বৈধ ক্রয় সংক্রান্ত নথি বা ইনভয়েস, পরিবহণের অনুমতিপত্র, গাড়ির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং বাধ্যতামূলক ভেটেরিনারি/মেডিক্যাল হেলথ সার্টিফিকেট দেখাতে পারেননি।
এরপর নিয়ম মেনে সিজার লিস্ট তৈরি করে ভিডিওগ্রাফির মাধ্যমে ট্রাক এবং ২২টি মহিষের বাছুর বাজেয়াপ্ত করা হয়। ঘটনায় ট্রাকচালক **মুশারুপ হক (২৭)**-কে দুপুর প্রায় ১২টা ৩৫ মিনিট নাগাদ গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত চালক অসমের বরপেটা জেলার বারপেটা রোড থানার অন্তর্গত খৈরবাড়ি এলাকার বাসিন্দা।
উদ্ধার হওয়া ২২টি মহিষের বাছুরকে নিরাপদ হেফাজতের জন্য বিজলিমণি খোঁয়াড় বা পাউন্ডে রাখা হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে উপযুক্ত ধারায় মামলা রুজুর প্রক্রিয়া শুরু করেছে পুলিশ।
পশুগুলিকে কোথা থেকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, পরিবহণের পিছনে প্রকৃত উদ্দেশ্য কী ছিল এবং এই ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না—তা খতিয়ে দেখছে ফাঁসিদেওয়া থানার পুলিশ।